Blog
খাঁটি গুড় চেনার কিছু চমৎকার কৌশল যা জানলে আর ঠকবেন না
গুড় খেতে পছন্দ করে না এমন লোক পাওয়া বর্তমান সময়ে অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। গুড় ছাড়া যেন শীতের পিঠার স্বাদই জমে না। এটি ব্যবহারের ফলে সকল রান্নায় আলাদা এক স্বাদ ও সুগন্ধি যুক্ত হয়। তাই সকল বাঙালির কাছে গুড় জনপ্রিয় খাদ্য। এটি শুধুমাত্র মিষ্টিকারক দ্রব্য নয়, এর রয়েছে অনেক উপকারিতা। তবে বর্তমানে বাজারে অনেক ভেজাল গুড়ের ছড়াছড়ি। অসাধু ব্যবসায়ীরা গুড়ের সাথে চিনি, সোডা বা সেকারিন জাতীয় কিছু দ্রব্য মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে। আবার খাঁটি গুড়ের কালচে বাদামি রং আনার জন্য ব্যবহার করে কৃত্তিম রং। এই ভেজাল গুড় গ্রহণ করার মাধ্যমে হতে পারে আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। তাই আপনাকে খাঁটি গুড় চেনার ক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
গুড় কয়েক ধরণের হয়ে থাকে পাটালি গুড়, ঝোলা/নলেন গুড়, হাজারী গুড় এছাড়াও রয়েছে ভেলি গুড়। তবে বাজারে পাটালি গুড় এবং ঝোলা/নলেন গুড় বেশি পাওয়া যায়। তাই আজকের এই ব্লগে খাঁটি পাটালি গুড় এবং ঝোলা/নলেন গুড় কিভাবে চিনতে পারি তা নিয়ে আলোচনা করবো।
খাঁটি পাটালি গুড় কি ভাবে চিনবেন

পাটালি গুড়ের কিছু অংশ মুখে নিয়ে স্বাদ নিয়ে দেখুন যদি মনে হয় এখানে নোনতা ভাব লাগছে তখন আপনাকে বুঝতে হবে নিশ্চয়ই এটা ভেজাল গুড়। তাছাড়া পুরোনো গুড় নোনতা হয়ে থাকে কারণ গুড় যত পুরোনো হতে থাকবে গুড়ে লবণের মাত্রা তত বেশি হতে থাকবে।
আমরা চকচকে জিনিস কে না পছন্দ করি, কিন্তু গুড় চেনার ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। যদি গুড় দেখতে অনেক চকচকে হয় তাহলে বুঝবেন এখানে বেশি মাত্রায় চিনি বা সেকারিন ব্যবহার করা হয়েছে।
গুড়ের রং সাধারণত মেটে কিংবা কালচে বাদামি হয়। যদি দেখেন, গুড়ের উপরিভাগ হলদেটে কিংবা সাদাটে দেখাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন, গুড়ের সঙ্গে ময়দা, চালের গুঁড়ো বা রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো হয়েছে।
গুড় কেনার সময় একটু গুড় হাতে নিয়ে হালকা চাপ দিয়ে দেখুন যদি নরম হয় তাহলে বুঝবেন এটা বেশ ভালো গুড় আর যদি বেশি শক্ত মনে হয় তাহলে এটা না কেনাই বুদ্ধি মানের কাজ।
কিছু অংশ ভেঙে একটু খেয়ে দেখবেন, যদি কচকচ করে তবে বুঝবেন এখানে চিনি মেশানো আছে। আসল গুড় মুখে দিলেই গলে যায় কচকচ করবে না।
খাঁটি ঝোলা / নলেন গুড় কি ভাবে চিনবেন

পাটালি গুড়ের মতো মুখে নিয়ে নোনতা ভাব পরীক্ষা করতে পারেন সেই সাথে গুড়ের রং টাও পরীক্ষা করতে পারেন। তরল গুড় অনেক দিনের পুরোনো হলে উপরের অংশে ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে এই বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে।
এছাড়া আরেকটা ব্যাপার খেয়াল রাখা জরুরি। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী গুড়ের সাথে পাউডার বা ময়দা জাতীয় কিছু মিশিয়ে থাকে, এখানে খাঁটি গুড় পরীক্ষা করার জন্য কিছু অংশ একটা পরিষ্কার গ্লাসের পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন এবার খেয়াল করে দেখুন যদি গ্লাসের উপরে বা নিচের অংশে পাউডার জাতীয় কিছু জমা হয় তাহলে বুঝবেন এটা নকল গুড়।
Yummy Cream Ghee
In stock
Yummy Sor Ghee
In stock
Mustard Oil | সরিষার তেল
Out of stock
